BDExpress

আনসারুল্লাহর জিয়াসহ দুজনের সম্পদ জব্দের নির্দেশ

চাকরিচ‌্যুত মেজর জিয়াউল হককে ধরিয়ে দিলে ২০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে

ফয়সল আরেফিন দীপন

প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার পলাতক আসামি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্তকৃত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক জিয়াসহ দুই আসামির সম্পত্তি ও মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক।

অপর আসামি হলেন পলাতক আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আব্দুল্লাহ।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন বলে ট্রাইব্যুনালের পেশকার পারভেজ ভূইয়া জানান।

আগামী ৩০ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ফয়সল আরেফিন দীপন

গত বছরের ১৬ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফজলুর রহমান।

গত ১৯ মার্চ ওই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক ওই দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।

অপর আসামিরা হলেন- মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুর সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে স্বাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। এরা সবাই কারাগারে আছেন।

প্রত্যেকেই এই হত্যাকাণ্ডে দোষ স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এই মামলায় অব্যাহতি পাওয়া আসামিরা হলেন- আরাফাত রহমান, সেলিম ওরফে হাদী, আলম, আকাশ, তৈয়ব, জনি, আসাদ, হাসান, তালহা, শরিফুল ও তারেক।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর বিকেলে শহাবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে ঢুকে ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

এ ঘটনায় দীপনের বাবা অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সহযোগিতায় দীপনের স্ত্রী ডা. রাজিয়া রহমান বাদী হয়ে ২ নভেম্বর শাহবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

আরো পড়ুন
  • 289
লোড হচ্ছে ···
আর নেই