BDExpress

‘পর্ন দেখে উত্তেজনা, ডাক পড়তো ছাত্রীদের’

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার ১২ ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন অধ্যক্ষ আল আমিন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ কাউছার আলমের আদালতে তার বক্তব্য রেকর্ড করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে অধ্যক্ষ আল আমিন দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিকে, আল আমিনের নামে একই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আরেকটি মামলা রয়েছে। এ মামলায় আগামী রোববার তার আরও ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

মামলার তদন্তকারী অফিসার মুহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম জানান, অধ্যক্ষ আল আমিন তার মুঠোফোন ও কম্পিউটারে পর্ন ছবি রাখতেন। প্রায় সময় সে ছবি দেখতেন। এতে যৌন উত্তেজনা ধরে রাখতে না পেরে ছাত্রীদের ডেকে যৌন নিপীড়ন করতেন।

তিনি আরও জানান, রিমান্ডে আল আমিন আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা তদন্তের স্বার্থে বলা যাচ্ছে না।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, অধ্যয়নরত একাধিক ছাত্রীকে বিভিন্ন অজুহাতে বাসায় ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেছেন অধ্যক্ষ আল আমিন। স্ত্রী বাসায় না থাকার সময়েই এ অপকর্মগুলো করেছেন তিনি।

এ ছাড়া বিভিন্ন ছাত্রীর ছবির মাথার অংশ কেটে অন্য পর্ন ছবির সঙ্গে যুক্ত করে, পরে তাদের ব্ল্যাকমেইল করতেন তিনি।

২০১৮ সাল থেকে মাদ্রাসার ১০ থেকে ১২ ছাত্রী অধ্যক্ষ আল আমিনের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে, তাকে গ্রেফতারের দিন জানিয়েছিলেন র‌্যাব-১১ সিনিয়র সহকারী পরিচালক আলেপ উদ্দিন।

তিনি আরও জানান, আল আমিনের মুঠোফোন এবং কম্পিউটার তল্লাশি করে এসব ঘটনার ছবি-ভিডিও ছাড়াও বহু পর্ন ভিডিও ক্লিপস পাওয়া গেছে।

এপি/আইএম

আরো পড়ুন
  • 293
লোড হচ্ছে ···
আর নেই