BDExpress

প্রিয়াংকা-নিকের বিয়ের ছবি প্রকাশ

এরপর তারা সুখে শান্তিতে বাস করতে লাগলেন! অন্তত এমনটাই হওয়া উচিত ছিল প্রিয়াংকা চোপড়া ও নিক জোনাসের সদ্য প্রকাশিত বিয়ের এলবামের।

পশ্চিমা ও ভারতীয় রীতি মিলিয়ে ধুম ধাড়াক্কা বিয়ে অনুষ্ঠানের পর এখন দুজন আনুষ্ঠানিক দম্পতি। মঙ্গলবার পিপল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে দুই সুপারস্টারের বিয়ের ছবি।

ছবিতে দেখা গেছে দুই রীতির বিয়ে অনুষ্ঠানে দুজনের ভিন্ন সাজগোজ। শনিবার দুজনেই গায়ে দিয়েছেন রালফ লরেনের বিশেষ পোশাক। প্রিয়াংকা পরেন দারুণ এক সাদা হোয়াইট কলাম গাউন, তার উপর চড়িয়েছেন হাতে এমব্রয়ডারি করা হাই নেক কোট, যাতে প্রিয়াংকা তার পছন্দের কিছু শব্দ বসিয়েছেন, যেমন- পরিবার, প্রত্যাশা ইত্যাদি। কনের নেকাবটি ছিলো ৭৫ ফুট লম্বা, হাতে ছিলো টিউবরোজের তোড়া।

নিক পরেন ক্লাসিক ডাবল ব্রেস্টেড কালো টুক্সেডো। ল্যাপেলের ভেতর কনের পোষাকের একটা অংশ সেলাই করা যেখানে লেখা ‘মাই জান’!

পিপলকে দেওয়া সাক্ষাতকারে নিক বলেছেন, ‘অনুষ্ঠানের সময় আবেগ ছিলো মাত্রাছাড়া। বিশেষ করে পশ্চিমা রীতিতে বিয়ের সময়। ওই মুহূর্তে আপনার সারাটা জীবন আপনার সামনে চলে আসে। সব কিছু এত ঠিকঠাক ঘটবে আমি ভাবতেও পারিনি। খুবই আবেগাক্রান্ত ছিলাম।‘

রোববার যোধপুরের তাজ উমায়েদ ভাওয়ান প্রাসাদে আবারও ছাদনাতলায় যান দুজন। ভারতীয় রীতির এই আয়োজনে প্রিয়াংকা পরেন সব্যসাচীর ডিজাইনে বিয়ের লাল সাজ।

সব্যসাচী জানিয়েছেন এই বিশেষ লেহাঙ্গাটি বানাতে সময় গিয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৭২০ ঘন্টা। কলকাতার ১১০ জন এমব্রয়ডার হাত লাগিয়েছেন হাতে কাটা ওরগাঞ্জা ফ্লাওয়ার, ফ্রেঞ্চ নট ও লাল ক্রিস্টালের বুনটে।

নিক পরেন হাতে বোনা সিল্ক শেরওয়ানি ও হাতে এমব্রয়ডারি করা শিকান দুপাট্টা। মাথায় চাপিয়েছেন চান্দেরি টিস্যু সাফা। আরও ছিলো সব্যসাচীর ডিজাইন করা রোজ কাট কালগি এবং হীরের নেকলেস। ক্রিস্টিয়ান লুবোউটিন ডিজাইন করেছেন তার সোনার জুতো জোড়া।

চোখ ধাঁধানো ও শ্বাসরুদ্ধকর আয়োজনের মাঝে বিলীন হয়েছেন প্রিয়াংকাও। তবে জীবনের মধুরতম মুহূর্তটির আবেগ ছিলো তার স্বামীর চেয়ে ভিন্ন।

পিপলকে বলেছেন, “কান্না, পুরোটাই কান্না! আমি চোখের জল ঠেকাতে পারছিলাম না। মনে হয় আমি একটু নার্ভাস ছিলাম, ভয়ও পাচ্ছিলাম। কিন্তু যেই পর্দা উঠলো আর ওর চেহারা দেখলাম সব ঠিকঠাক হয়ে গেলো। তখন বুঝেছি জীবনের সেরা সিদ্ধান্তটা সঠিকভাবেই নিয়েছি আমি।”

আরো পড়ুন
  • 492
লোড হচ্ছে ···
আর নেই