BDExpress

এখন হাটবে রূপগঞ্জের স্কুলছাত্রী আছমা

জন্মের পর থেকেই এক পায়ের ওপর ভর করে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলতেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের জাঙ্গীর এলাকার দিনমজুর জাফর আলীর মেয়ে আছমা আক্তার। এখন পড়াশুনা করছেন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে। এক পায়ে হাটাচলা করতে তার কষ্টের সীমা ছিল না।  তার এ কষ্ট লাঘবে এগিয়ে এলেন রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি লায়ন মীর আব্দুল আলীম। তাকে একটি কৃত্রিম পা দান করেছেন তিনি।

এখন অন্যান্যদের মতো স্বাভাবিক পায়ে হেটে স্কুলে যাতায়াত করতে পারছেন আছমা। এখন তার মুখে হাসির শেষ নেই। পায়ে হাটতে পেরে জানালো বড় হয়ে চিকিৎসক হবে আছমা।

আব্দুল হক ভুঁইয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পরিচালক মনিরুল হক ভুইয়া জানান, তার বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আছমা। প্রতিদিনের ন্যায় খুড়িয়ে খুড়িয়ে দেড় কিলোমিটার পথ হেটে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হতো আছমাকে। পরে বিষয়টি মাহবুব আলম প্রিয় নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুকে শেয়ার করেন।

বিষয়টি নজরে আসে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কলামিস্ট লায়ন মীর আব্দুল আলীমের। তিনি তাৎক্ষণিক আছমাকে কৃত্রিম পায়ের ব্যবস্থা করবেন বলে ঘোষণা দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহবুব আলম প্রিয় বলেন, আছমা দরিদ্র ঘরের সন্তান। তার দিনমজুর বাবা কোন মতেই পারতেন না প্রায় লাখ টাকা দিয়ে একটি কৃত্তিম পা স্থাপন করতে। তাই তিনি তার ফেসবুক ওয়ালে বিষয়টি পোস্ট করেন। মাহবুব আলম প্রিয়র ফেসবুকের পোস্ট  দেখে রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কলামিস্ট ও গবেষক লায়ন মীর আব্দুল আলীম তার পা স্থাপনের ব্যবস্থা করেন।

বুধবার সকালে আছমাকে কৃত্তিম পা স্থাপনের জন্য রাজধানীর  ইন্দোলাইট নামক একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যান। সেখান থেকে পা কিনে তাৎক্ষণিক পা স্থাপন করে নিজেই প্রশিক্ষণ দেন। শুধু তাই নয়, আনুষঙ্গিক সামগ্রি ও নগদ অর্থ দেন তিনি।

লায়ন মীর আব্দুল আলীম বলেন, মানুষ মানুষেরই জন্য। আমরা সবাই মিলে দরিদ্রদেরকে সাধ্যমত সহায়তা করলে অনেক দুঃখী মানুষের মুখেও হাসি ফোটানো সম্ভব।

ঢাকাটাইমস/৩১অক্টোবর/প্রতিনিধি/ওআর

আরো পড়ুন
  • 309
লোড হচ্ছে ···
আর নেই